নতুন বছরের শুরুতেই করোনার ভ্যাকসিন, ঘোষনা মোদির
দি নিউজ লায়ন ; নতুন বছরের প্রথমেই ভারতের হাতে চলে আসছে করোনার ভ্যাকসিন। ভ্যাকসিনের প্রস্তুতি একদম শেষ পর্যায়ে। এমনই আশ্বাস দিলেন ভারতের প্রধানমত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত বুধবার তিনটি ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক সংস্থা জরুরি অবস্থার জন্য কেন্দ্রের অনুমতির জন্য আবেদন করেছে। গুজরাতের রাজকোটে এক অনুষ্ঠানে এমন তথ্য তুলে ধরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ভারতে তৈরি দেশীয় ভ্যাকসিন পাবেন সাধারন মানুষ। করোনার আতংক কাটবে এবারে।
তবে মোদি বলেন, যব তক দাওয়াই নেহি, তব তক ঢিলাই নেহি। মানে, যতোক্ষণ না ভ্যাকসিন বের হচ্ছে, ততোক্ষণ করোনার কড়া বিধি নিষেধ মেনে চলা প্রয়োজন। এমনকী করোনা ভ্যাকসিন পাওয়ার পরেও করোনা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী মোদি।
এদিকে ভারতের সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশনের সাবজেক্ট এক্সপার্ট কমিটি গত বুধবার এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়, ভারতের কোনও একটি করোনার ভ্যাকসিনকে মাস ভ্যাকসিনেশনের জন্য অনুমতি দেওয়া হবে। তবে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন নিয়ে এখনই কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। বিশেষজ্ঞ কমিটি জানিয়েছে, ভারতে জরুরি অবস্থার জন্য করোনার ভ্যাকসিন হিসাবে অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন, পিফিজার, ভারত বায়োটেকের আর্জি বিবেচনা করে দেখা হচ্ছে।
কমিটি জানিয়েছে, অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র দেওয়ার জন্য আরও তথ্য এবং ডেটা প্রয়োজন। যা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে বিশেষজ্ঞ কমিটি সেরাম ও ভারত বায়োটেকের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছে। তথ্য পাঠাচ্ছে পিফিজার ইন্ডিয়াও। আগামী কাল ১ জানুয়ারি ফের এই নিয়ে বৈঠকে বসছে কমিটি।
এদিকে নতুন বছরের সূচনা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশে করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে প্রস্তুতি তুঙ্গে।। ভারত সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ২ জানুয়ারি থেকে দেশের প্রতিটি রাজ্যে করোনা ভ্যাকসিনের ড্রাই-রান শুরু করা হবে। বৃহস্পতিবার এক বৈঠকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
এখন অবধি দেশের ৪ টি রাজ্যে এমন ড্রাই রান শুরু করা হয়েছিলো। এই চার রাজ্যের মধ্যে রয়েছে পঞ্জাব, অসম, গুজরাত, এবং অন্ধ্রপ্রদেশ। এখন অবধি রিপোর্ট মোতাবকে এই চার রাজ্যে ড্রাই রানের রিপোর্ট ভালো। এরপরেই সমগ্র দেশে ড্রাই রানের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

Post a Comment